রোহিঙ্গা শরণার্থীদের সমুদ্রে নামিয়ে দেওয়ার অভিযোগ
ভারতের বিরুদ্ধে সম্প্রতি গুরুতর অভিযোগ উঠেছে যে, দেশটির নৌবাহিনী অন্তত ৪০ জন রোহিঙ্গা শরণার্থীকে সমুদ্রে নামিয়ে দিয়েছে। জাতিসংঘ এই অভিযোগকে "অমানবিক ও অগ্রহণযোগ্য" বলে অভিহিত করেছে এবং ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।(BBC, Prothomalo)
🛑 কী ঘটেছে?
-
৬ মে ২০২৫ তারিখে, দিল্লিতে বসবাসকারী ৪৩ জন রোহিঙ্গা শরণার্থীকে বায়োমেট্রিক তথ্য সংগ্রহের অজুহাতে আটক করা হয়।(Prothomalo)
-
৮ মে, তাদের আন্দামান-নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে নিয়ে গিয়ে ভারতীয় নৌবাহিনীর একটি জাহাজে তোলা হয়।(Prothomalo)
-
জাহাজটি মিয়ানমারের জলসীমার কাছে পৌঁছালে, তাদের লাইফ জ্যাকেট দিয়ে সমুদ্রে নামিয়ে দেওয়া হয়।(Prothomalo)
-
শরণার্থীরা সাঁতরে মিয়ানমারের তানিনথারি অঞ্চলের একটি দ্বীপে পৌঁছান, তবে তাদের বর্তমান অবস্থা অজানা।(Prothomalo)
🌐 জাতিসংঘের প্রতিক্রিয়া
জাতিসংঘের মানবাধিকার সংস্থা (OHCHR) এই ঘটনাকে আন্তর্জাতিক আইনের "নন-রিফাউলমেন্ট" নীতির গুরুতর লঙ্ঘন হিসেবে উল্লেখ করেছে, যা কাউকে এমন দেশে ফেরত পাঠানোর বিরুদ্ধে যেখানে তার জীবন বা স্বাধীনতা হুমকির মুখে পড়তে পারে। মিয়ানমারে রোহিঙ্গারা দীর্ঘদিন ধরে নিপীড়নের শিকার হওয়ায়, তাদের সেখানে ফেরত পাঠানো আন্তর্জাতিক মানবাধিকার চুক্তির পরিপন্থী।
⚖️ ভারতের সুপ্রিম কোর্টের অবস্থান
এই ঘটনায় ভারতের সুপ্রিম কোর্টে একটি জনস্বার্থ মামলা দাখিল করা হয়, যেখানে রোহিঙ্গাদের অবৈধভাবে সমুদ্রে নামিয়ে দেওয়ার অভিযোগ তোলা হয়। তবে আদালত এই অভিযোগকে "কল্পনাপ্রসূত গল্প" বলে উল্লেখ করে এবং যথাযথ প্রমাণের অভাবে মামলাটি খারিজ করে দেয়।
🇮🇳 ভারতের অবস্থান
ভারত সরকার ১৯৫১ সালের শরণার্থী কনভেনশন বা ১৯৬৭ সালের প্রটোকলের স্বাক্ষরকারী নয় এবং রোহিঙ্গাদের শরণার্থী হিসেবে স্বীকৃতি দেয় না। সরকার তাদের অবৈধ অনুপ্রবেশকারী হিসেবে বিবেচনা করে এবং অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার জন্য হুমকি হিসেবে দেখে।(Prothomalo, দৈনিক ইনকিলাব)
📽️ ভিডিও প্রতিবেদন
এই বিষয়ে বিস্তারিত জানতে নিচের ভিডিওটি দেখতে পারেন:
রোহিঙ্গা শরণার্থীদের সমুদ্রে ফেলে দেয়ার অভিযোগ ভারতের বিরুদ্ধে!
আপনি যদি এই বিষয়ে আরও বিস্তারিত জানতে চান বা কোনো নির্দিষ্ট প্রশ্ন থাকে, তাহলে জানাতে পারেন।
.jpeg)
0 Comments